• ঢাকা
  • শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪, ১৬ ভাদ্র ১৪৩১, ২৫ সফর ১৪৪৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Songbad Prokash

ইনস্টাগ্রাম

টুইটার


লিংকডইন

পিন্টারেস্ট

গুগল নিউজ


জেলা প্রশাসক পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, আটক ৬


কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মার্চ ৫, ২০২৪, ০৬:৩৯ পিএম
জেলা প্রশাসক পরিচয় দিয়ে প্রতারণা, আটক ৬

কখনো জেলা প্রশাসক, কখনো জেল সুপার, আবার কখনো র‌্যাবের সিনিয়র কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মোটা অংকের টাকা আত্ম❀সাতের অভিযোগে প্রতারক𝓀 চক্রের ৬ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে র‌্যাব-১৫ এর🌟 কোম্পানি অধিনায়ক মো. আনোয়ার হোসেন শামীম এক সংবাদ সম্মেল🐎নে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে সোমবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১২টার দিকে চকরিয়া ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন🦂ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটকরা হলেন চক্রের মূলহোতা চকরিয়া ফাঁসিয়া খালী ইউনিয়নের ঘোনারপাড়া এলাকার মৃত আবু বক্করের ছেলে তোরাব উদ্দিন শিকদার ওরফে রেজাউল করিম (৪০), উত্🍒তর মেধাকচ্ছপিয়া এলাকার আব্দুস সাত্তারের ছেলে বাদ♎শা (৩০), ঘোনারপাড়া এলাকার জয়নাল আবেদীনের ছেলে তারেকুর রহমান (২০), আবুল কাশেমের ছেলে জুবায়ের (২৩), মাহমুদ উল্যাহর ছেলের এমদাদ উল্ল্যাহ মারুফ (২০) এবং ইউনূস কবিরের ছেলে মিশকাত জান্নাত জুলি (১৮)।

র‌্যাব জানায়, সরকারি উচ্চপদস্থ বিভিন্ন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে 🀅দীর্ঘদিন ধরে অসহায় মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিত এই চক্র। চক্রের মূলহোতা তোরাব উদ্দিন শিকদার অন্তত ১০টি মামলার আসামি। এসব অপকর্ম জড়ানোর পর সে রাতারাতি হয়ে ওঠে কোটিপতি। কোনো সামাজিক কিংবা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে কোটি টাকা পর্যন্ত ডোনেশন করে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকতেন। নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে একে একে ১১টি বিয়েও করেছেন। এছাড়া সামনে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থীও হতে চেয়েছিলেন।

র‌্যাব-১৫ এর কোম্পানি অধিনায়ক মো. আনোয়ার হোসেন শামীম জানান, এই চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন মামলায় কারাগারে বন্দীদের জামিন করিয়ে দেওয়ার কথা বলে স্বজনদের কাছ থেকে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিতেন। চক্রের অন্য সদস্যরা কারাগারে বন্দীর স্বজনদের টার্গেট করে কথা বলতেন। এরপর জামিনের কথা বলে তোরাব উদ্দিন শিকদার ওরফে রেজাউল করিমকে জেল সুপার, জেলা প্রশাসক, পুলি༺শ সুপার, জজসহ বিভিন্ন সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে মোবাইলে তাদের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন। পরে কারাগারে থাকা বন্দীদের খালাস বা জামিন করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ৫/১০ লাখ টাকা পর্যন্ত দাবি করতেন। আটদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Link copied!