‘আমাদের অধিকার, আমাদের ভবিষ্যৎ, এখনই’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আন্তজার্তিক মানবাধিকার দিব꧃স-২০২৪ পালন করা হয়েছে। বুধববার (১১ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের উদ্যোগে এ দিবস পালন করা হয়।
দিনটি উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মীর মোশার𝐆রফ হোসেন ভবনের সামনে থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকের সামনে এসে সমবেত হয়। পর𒈔ে সেখানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘সহনশীলতা এবং মানবাধিকার একে অপরের প্রয়োজন’, ‘মর্যাদা হলো সমস্ত অধিকারের মূল ভিত্তি’, ‘কোনো কারণ মানবাধিকারের অপব্যবহারকে ন্যায্যতা দিতে পারে নাꦕ’, ‘সমতা একটি অধিকার, বিশেষাধিকার নয়’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভাগের অধ্যাপক ড. নূর♌ুন নাহার, ড. হালিমা খাতুন ও সহযোগী অধ্যাপক ড. আরমীন খা💛তুনসহ বিভাগের বিভিন্ন বর্ষের শতাধিক শিক্ষার্থী।
সভায় শিক্ষকরা বলেন, মানবাধিকার নিয়ে সবার আগে কথা বলবে, রুখে দাঁড়াবে আইনের শিক্ষার্থীরা। ꧅তারা সচেতনভাবে আইনগত অধিকারের বিষয়গুলো মানুষকে জানাবে। এটা তাদের দায়িত্ব। মানবাধিকার লঙ্ঘনে✅র জায়গাগুলোতে প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর সর্বদা উঁচু রাখতে হবে। সেই জায়গাগুলোতে নিজেরা গিয়ে ভূমিকা পালন করার জন্য আইনের শিক্ষার্থীদের সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে।
তারা আরও বলেন, যেখানে মানবাধিকার এবং আইনের শাসন বিরাজ করে সেখানে ন্যায়বিচারের বিকাশ ঘটে। ๊মানবাধিকার সার্বজনীন বিষয়। এটি মানুষের জন্মগত অধিকার। এজন্য অধিকার আদায়ে আইন সম্পর্কে নিজেদের সচেতন হতে হবে এবং অন্যকে সচেতন করতে হবে।
আইন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. রেবা মন্ডল বলেন, “আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে এই মানবাধিকার দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি পালনের মধ্য দিয়ে আমরা চাই বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রতিটি মানুষের মানবাধিকার সমুন্নত থাকুক। কꦚেউ যেন মানুষের সহজাত ও অহস্তান্তরযোগ্য যে অধ🐓িকার রয়েছে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত না হয়। আমাদের প্রত্যাশা থাকবে প্রতিটি মানুষের মানবাধিকারকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারি ও বেসরকারিভাবে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।”